আজ শনিবার ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিলো। ছাত্রলীগের বহু নেতাকর্মী দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। কাজেই ইতিহাসের কথা মাথায় রেখে নেতাকর্মীদের কাজ করে যেতে হবে যেন দেশের মানুষ এই সংগঠনের প্রতি আস্থা পায়।’
বিকাল ৩ টায় মঞ্চে আসেন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেতা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে বরণ করে নেন ছাত্রলীগের নেতারা। পরে একটি প্রামাণ্য নাটকের মাধ্যমে ছাত্রলীগের গৌরবময় অতীত তুলে ধরা হয়।
পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।। বলেন, কারাগারে বসেও ছাত্রলীগকে নির্দেশনা দিতেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আদর্শ সততা ও নীতি ছাড়া কোন নেতৃত্ব তৈরি হতে পারে না। শেষে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত কমিটিকে ভারমুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেন সাংগঠনিক নেতা শেখ হাসিনা।























































